তায়াম্মুম এর বিধান সমূহঃ



তায়াম্মুমঃ
হযরত আম্মার ইবনে ইয়াসের(রাঃ) হইতে বর্নিত,নবী করিম(সঃ) আমাকে একটি কাজে পাঠিয়েছিলেন,তথায় আমার স্বপ্ন দোষ হয়েছিল।আমি পানি পাচ্ছিলামনা।তখন আমি গোসলের জন্য তায়াম্মুমের নিয়তে চতুষ্পদ জন-ুর ন্যায় কয়েক বার এদিক সেদিক মাটিতে গড়াগড়ি করলাম।অতঃপর নবী করিম(সঃ) এর কাছে ঘটনা বললাম,নবী(সঃ) আমাকে বললেন,তোমার জন্য এইটুকু যথেষ্ট হয়ে যেত যে,পবিত্র মাটিতে একবার হাত মারিয়া উভয় হাত এবং মুখমন-লকে মসেহ করে ফেলতে।অতঃপর হুজুর(সঃ) তা করে দেখালেন।*বোখারী ও মুসলীম*।

তায়াম্মুমের হুকুম-
ð যদি পানি না পাওয়া যায় ।
ð পাওয়া গেলেও নাগালের বাইরে ।
ð পানি ব্যবহারে ভীষণ ক্ষতির আশংকা ।
ð যে সব নামাজের কাজা নেই ( যেমন- জানাযা ও ঈদের নামাজ ইত্যাদি) তা অজু করলে না পাওয়ার আশংকা থাকলে ।

তায়াম্মুমের ফরজ
১. পাক হওয়ার নিয়ত করা
২. দুই হাত একবার মাটিতে মেরে তা দিয়ে মুখমণ্ডল মাসেহ করা।
৩. দুই হাত আবার মাটিতে মেরে দুই হাত কনুই মাসেহ করা।

তায়াম্মুমের সুন্নত
১. বিসমিল্লাহ বলা
২. প্রথমে দুই হাত পরে দুই হাত কনুই মাসেহ করা।
৩. মাটিতে হাতের তালু মারা পিঠের দিক নয় ।
৪. মাটিতে হাত মারার পর মাটি ঝেড়ে ফেলো ।
৫. দুই হাতের আংগুল প্রসারিত করে মাটিতে মারা যাতে হাতে ধুলা লাগে ।
৬. অন্তত তিন আংগুল দিয়ে চেহারা ও হাত মাসেহ করা
৭. প্রথমে ডান হাত ও পরে বাম হাত মাসেহ করা ।
৮.চেহারা মাসেহ করার পর দাড়ি খেলাল করা ।

যা কিছুর দ্বারা তাইয়াম্মুম সঠিক হবে
*
মাটি
*
বালি
*
বিভিন্ন ধরনের পাথর, যেমন কালো পাথর, মারমার (মার্বেল) পাথর, চুনা পাথর ইত্যাদি
*
পোড়া কাদা-মাটি যেমন ইট ও কলস।

Share this :

Previous
Next Post »