১৫। নির্বাচিত দোয়া সমূহ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
১৫। নির্বাচিত দোয়া সমূহ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

দোয়া ও প্রার্থনার ফজিলত

দুআ ও প্রার্থনার ফযীলত

১- দুআ এক মহান ইবাদত
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন :
وَقَالَ رَبُّكُمُ ادْعُونِي أَسْتَجِبْ لَكُمْ إِنَّ الَّذِينَ يَسْتَكْبِرُونَ عَنْ عِبَادَتِي سَيَدْخُلُونَ جَهَنَّمَ دَاخِرِينَ
তোমাদের প্রতিপালক বলেন, তোমরা আমার কাছে প্রার্থনা করআমি তোমাদের প্রার্থনা কবুল করব। যারা অহংকারবশত আমার ইবাদত হতে বিমুখ তারা অবশ্যই জাহান্নামে প্রবেশ করবে লাঞ্ছিত হয়ে। (আল-মুমিন : ৬০)
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন :
الدعاء هو العبادة .(رواه أبو داود 1479 والترمذي 2969 وقال : هذا حديث صحيح، وابن ماجة 3828(
দুআ-ই হল ইবাদত (আবু দাউদতিরমিজী ও ইবনু মাজা)
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরো বলেন :
أفضل العبادة هو الدعاء.)أخرجه الحاكم وصححه الألباني في صحيح الجامع 1122(
সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত হল দুআ (হাকেম)
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরো বলেন :
ليس شيء  أكرم على الله تعالى من الدعاء . )أخرجه الترمذي 3370 وحسنه الألباني في صحيح الجامع 5392(
আল্লাহর কাছে দুআর চেয়ে উত্তম কোনো ইবাদত নেই (তিরমিজী)
২-দুআ অহংকার থেকে দূরে রাখে
আল্লাহ তাআলা বলেন :
وَقَالَ رَبُّكُمُ ادْعُونِي أَسْتَجِبْ لَكُمْ إِنَّ الَّذِينَ يَسْتَكْبِرُونَ عَنْ عِبَادَتِي سَيَدْخُلُونَ جَهَنَّمَ دَاخِرِينَ.
তোমাদের প্রতিপালক বলেনতোমরা আমার কাছে প্রার্থনা কর আমি তোমাদের প্রার্থনা কবুল করব। যারা অহংকারবশত আমার ইবাদত হতে বিমুখ তারা অবশ্যই জাহান্নামে প্রবেশ করবে লাঞ্ছিত হয়ে। (আল-মুমিন : ৬০)
এ আয়াতে প্রমাণিত হলযারা আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করে না তারা অহংকারী। অতএব প্রার্থনা করলে অহংকার থেকে মুক্ত থাকা যাবে
ইমাম শাওকানী রহ. বলেন : এ আয়াত স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে দুআ অন্যতম ইবাদত। আর এটা পরিহার করা আল্লাহর সঙ্গে অহংকার করার নামান্তর। এ অহংকারের চেয়ে নিকৃষ্ট কোনো অহংকার হতে পারে না। কিভাবে মানুষ আল্লাহর সঙ্গে অহংকার করতে পারে যে আল্লাহ তাকে সৃষ্টি করেছেনতাকে সব ধরনের জীবনোপকরণ দিয়েছেনযিনি জীবন দান করেন ও মৃত্যু ঘটান এবং ভাল-মন্দের প্রতিদান দিয়ে থাকেন ? (তুহফাতুয যাকিরীন : আশ-শাওকানী)

৩-দুআ কখনো বৃথা যায় না
যেমন হাদীসে এসেছে :
عن أبي سعيد الخدري رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال : ما من مسلم يدعو بدعوة، ليس فيها إثم ولا قطيعة رحم إلا أعطاه الله بـها إحدى ثلاث : إما أن يعجل له دعوته، وإما أن يدخرها له في الآخرة وإما أن يصرف عنه من السوء مثلها. قالوا : إذا نكثر قال : الله أكثر)رواه البخاري في الأدب المفرد 710 وصححه الألباني وأحمد(
আবু সাঈদ খুদরী রা. থেকে বর্ণিততিনি বলেননবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন : যখন কোনো মুমিন ব্যক্তি দুআ করেযে দুআতে কোনো পাপ থাকে না ও আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করার বিষয় থাকে নাতাহলে আল্লাহ তিন পদ্ধতির কোনো এক পদ্ধতিতে তার দুআ অবশ্যই কবুল করে নেন। যে দুআ সে করেছে হুবহু সেভাবে তা কবুল করেন অথবা তার দুআর প্রতিদান আখেরাতের জন্য সংরক্ষণ করেন কিংবা এ দুআর মাধ্যমে তার ওপর আগত কোনো বিপদ তিনি দূর করে দেন। এ কথা শুনে সাহাবিগণ বললেনআমরা তাহলে অধিক পরিমাণে দুআ করতে থাকবো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন : তোমরা যত প্রার্থনাই করবে আল্লাহ তার চেয়ে অনেক বেশি কবুল করতে পারেন (বুখারী : আল-আদাবুল মুফরাদ ও আহমদ)
এ হাদীসে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে কোনো মুসলিম ব্যক্তির দুআ কখনো বৃথা যায় না


 

প্রয়োজনীয় দোয়া সমূহঃ

 প্রয়োজনীয় দোয়া সমূহঃ
বাড়ী থেকে বের হওয়ার সময় দোআ:

"بِسْمِ اللهِ، تَوَكَّلْتُ عَلَى اللهِ، وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللهِ"

“বিসমিল্লাহি তাআওাক্কালতু ‘আলাল্লাহী ওয়া লা হাওলা ওয়া লা কুউওয়াতা ইল্লাবিল্লাহ”

অর্থঃ আল্লাহর নাম নিয়ে তাঁরই উপর ভরসা করে বের হলাম। আল্লাহর অনুগ্রহ ব্যতীত প্রকৃত পক্ষে কোন শক্তি সামর্থ্য নেই।[আবু দাউদ ৪/২৩৫, সহীহ আত-তিরমিযী ৩/১৫১]

" أَزِلَّ، أَوْ أُزَلَّ، أَوْ أَظْلِمَ، أَوْ أُظْلَمَ، أَوْ أَجْهَلَ، أَوْ يُجْهَلَ عَلَيَّ الَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ أَنْ أَضِلَّ، أّوْ أُضَلَّ، أَو

“আল্লাহুম্মা ইন্নী আ‘উযুবিকা আন আদিল্লা, আও উদাল্লা, আও আজিল্লা, আও উজাল্লা, আও আযলিমা, আও উযলামা, আও আজহালা, আও ইউজহালা ‘আলাইয়্যা”অর্থঃ হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি অন্যকে পথভ্রষ্ট করতে অথবা কারও দ্বারা আমি পথভ্রষ্ট হতে, আমি অন্যকে পদস্খলন করাতে বা আন্যর দ্বারা পদস্খলিত হতে, আমি অন্যকে নির্যাতন করতে বা অন্যের দ্বারা নির্যাতিত হতে এবং আমি অন্যকে অবজ্ঞা করতে বা নিজে অপরের দ্বারা অবজ্ঞা হওয়া থেকে। [সহীহ আত-তিরমিযী ৩/১৫২; সহীহ ইবনে মাযাহ ২/৩৩৬]

ঘরে প্রবেশ কালে দু’আ :

১) "بِسْمِ اللهِ وَلَجْنَا، وَ بِسْمِ اللهِ خَرَجْنَا، وَعَلَى رَبِّنَا تَوَكَّلْنَا"

“বিসমিল্লাহি ওয়ালাজনা, ওয়া বিসমিল্লাহি খরাজনা, ওয়া ‘আলা রব্বানা তাওাক্কালনা”

অর্থঃ আল্লাহর নামে আমরা প্রবেশ করি, আল্লাহর নামেই আমরা বের হই এবং আমাদের রব আল্লাহর উপরই আমরা ভরসা করি। (তারপর পরিবারবর্গকে সালাম বলবে)[আবু দাউদঃ ৪/৩২৫]

দৈনিক আমরা বহু বার শৌচাগার ব্যাবহার করছি কিন্তু আমরা যদি সঠিক পদ্ধতিতে এবং নবীজির (সাঃ) সুন্নাতকে অনুসরণ করি তবে অসংখ্য সওয়াবের ভাগীদার হতে পারবো ইনশাআল্লাহ । আপনি প্রবেশকালে বাম পা এবং বাহির হবার কালে ডান পা প্রথমে রাখবেন-

শৌচাগারে প্রবেশের পূর্বের দোআ :

بِسْمِ الله ) اللّهُـمَّ إِنِّـي أَعـوذُ بِـكَ مِـنَ الْخُـبْثِ وَالْخَبائِث)
(বিসমিল্লাহ) আল্লাহুম্মা ইন্না আউযুবীকা মিনাল খুবছে অয়াল খাবাইছ

অর্থ : আল্লাহ তা‘আলার নামে, হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট ক্ষতিকারক নর ও নারী জ্বিন, শয়তান হতে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।
(তিরমিযী, ১ : ১৩২/ বুখারী, ১ : ২৬)

শৌচাগার থেকে বের হওয়ার পরের দোয়া

غُفْـرانَك
গুফরানাক

অর্থ : হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট ক্ষমা চাচ্ছি।